মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে বাঁচতে ৫ খাবার
মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে বাঁচতে ৫ খাবার
১২ই মার্চ রবিবার ২০২৩
মাইগ্রেনের ব্যথা একটি বড় সমস্যা। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা খুবই কষ্টদায়ক। ঠান্ডার কারণে বাড়ে এর ব্যথা। কিন্তু আমাদের খাদ্যভ্যাসের উপরও নির্ভর করে মাইগ্রেনের ব্যথা কতটা জ্বালাবে। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে করণীয়।
যাদের একবার ব্যথা হলে কিছুতেই কমতে চায় না, তারা কিছু খাবার খেয়ে দেখতে পারেন। এই ৫টি খাবার নিয়মিত খেলে মাইগ্রেনের অ্যাটাকও কম হতে পারে।
কলা
রক্তে শর্করা মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে মাথা ধরে যেতে পারে। সাধারণত খালি পেটে থাকলে এ সমস্যা হয়। ফলে মাইগ্রেনের ব্যথায় পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সেরা খাবার কলা। ম্যাগনেশিয়ামের ভরপুর এই ফল খেলে খুব দ্রুত শক্তি পাবেন এবং মাইগ্রেনের আশঙ্কাও কমবে।
রক্তে শর্করা মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে মাথা ধরে যেতে পারে। সাধারণত খালি পেটে থাকলে এ সমস্যা হয়। ফলে মাইগ্রেনের ব্যথায় পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সেরা খাবার কলা। ম্যাগনেশিয়ামের ভরপুর এই ফল খেলে খুব দ্রুত শক্তি পাবেন এবং মাইগ্রেনের আশঙ্কাও কমবে।
পানি
বেশি করে পানি পান করলে মাইগ্রেন সমস্যা কমে যায়। তবে শরীর হাইড্রেটেড রাখতে শুধু পানি খাওয়াই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ বেশি। তরমুজের মতো ফলে ৯২ শতাংশ পানি থাকে।
বেশি করে পানি পান করলে মাইগ্রেন সমস্যা কমে যায়। তবে শরীর হাইড্রেটেড রাখতে শুধু পানি খাওয়াই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ বেশি। তরমুজের মতো ফলে ৯২ শতাংশ পানি থাকে।
ভেষজ চা
শরীর হাইড্রেটেড রাখতে ভেষজ চা খেতেই পারেন। তাতে মাথা ধরার আশঙ্কা কমে যাবে। তা ছাড়াও ‘ইন্টারন্যাশন্যাল জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ মেডিসিন’ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র অনুযায়ী পিপারমিন্ট-টি খাওয়া সাইনাসের জন্য উপকারী। তাই মাথা ধরার প্রবণতা কমাতে পিপারমিন্ট-টি খাওয়া শুরু করতে পারেন।
মাশরুম
অনেক সময় হজমের গণ্ডগোল বা পেটের অন্য সমস্যা থেকে মাথা ধরতে পারে এবং সেটাই বেড়ে মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে। তাই মাশরুম, ডিম বা বাদামের মতো খাবার, যাতে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্ল্যাবিন রয়েছে, রাখুন রোজকার খাদ্যতালিকায়। এতে হজমশক্তি বাড়তে সাহায্য করবে। খাবার সময় মতো হজম হলে মাথা ধরার সমস্যাও কমে যাবে।
বাদাম ও বীজ
শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে দীর্ঘ মাথা ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখুন, যা থেকে এই অপুষ্টি কম করা সম্ভব। নানা রকম বাদাম খেতে পারেন ঘুম থেকে উঠে। স্যালাডের সঙ্গে ফ্ল্যাক্সসিড, চিয়া সিড, বা কুমড়ার বীজ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ম্যাগনেশিয়ামের পাশাপাশি ফাইবারও রয়েছে প্রচুর।
শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে দীর্ঘ মাথা ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখুন, যা থেকে এই অপুষ্টি কম করা সম্ভব। নানা রকম বাদাম খেতে পারেন ঘুম থেকে উঠে। স্যালাডের সঙ্গে ফ্ল্যাক্সসিড, চিয়া সিড, বা কুমড়ার বীজ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ম্যাগনেশিয়ামের পাশাপাশি ফাইবারও রয়েছে প্রচুর।
মাইগ্রেনে ব্যাথার থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ মাইগ্রেন ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। অনেক আলোতে বা সূর্যের অতিরিক্ত তাপে মাইগ্রেনের ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে । এজন্য প্রয়োজন নিরিবিলি পরিবেশ ও সুষ্ঠু চিকিৎস।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url